উত্তরঃ কোন কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে প্রত্যেক নাগরিকের তথ্য পাওয়ার অধিকার। [সূত্রঃ তথ্য অধিকার আইন ২০০৯, ধারা (৪)]

তথ্য অর্থ কোন কর্তৃপক্ষের গঠন, কাঠামো ও দাপ্তরিক কর্মকান্ড সংক্রান্ত যে কোন স্মারক, বই, নকশা, মানচিত্র, চুক্তি, তথ্য উপাত্ত, লগ-বহি, আদেশ, বিজ্ঞপ্তি, দলিল, নমুনা, পত্র, প্রতিবেদন, হিসাব বিবরণী, প্রকল্প প্রস্তাব, আলোকচিত্র, অডিও, ভিডিও, অঙ্কিত চিত্র, ফিল্ম, ইলেকট্রনিক প্রক্রিয়ায় প্রস্তুতকৃত যে কোন ইনস্ট্রুমেন্ট, যান্ত্রিকভাবে পাঠযোগ্য দলিলাদি এবং ভৌতিক গঠন ও বৈশিষ্ট্য নির্বিশেষে অন্য যে কোন তথ্যবহ বস্তু বা এগুলোর প্রতিলিপি। তবে দাপ্তরিক নোট সিট বা নোট সিটের প্রতিলিপি তথ্য হিসেবে বিবেচিত হবে না। [সূত্রঃ তথ্য অধিকার আইন ২০০৯, ধারা (২)]

এই আইনের মাধ্যমে জনগণ সরকারের সকল কর্মকান্ড সম্পর্কে জানতে পারবে, যার মাধ্যমে সরকারের কাজের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে। [সূত্রঃ তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯ সহজ পাঠ]

কোন তথ্য প্রদান ইউনিটের জন্য কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নিযুক্ত কর্মকর্তা। [সূত্রঃ তথ্য অধিকার আইন ২০০৯, ধারা (১০)]

কোন তথ্য প্রদান ইউনিটের প্রশাসনিক প্রধান বা কোন উর্ধ্বতন কার্যালয় থাকলে সেক্ষেত্রে সেই উর্ধ্বতন কার্যালয়ের প্রশাসনিক প্রধান। [সূত্রঃ তথ্য অধিকার আইন ২০০৯, ধারা (২)]

তথ্য প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান (সরকারি অফিস এবং সরকারি অথবা বিদেশি অনুদানে চলে এমন বেসরকারি অফিস)। [সূত্রঃ তথ্য অধিকার আইন ২০০৯, ধারা (২)]

(ক) সরকারের কোন মন্ত্রণালয়, বিভাগ বা কার্যালয়ের সাথে সংযুক্ত বা অধিনস্থ কোন অধিদপ্তর, পরিদপ্তর বা দপ্তরের প্রধান কার্যালয়, বিভাগীয় কার্যালয়, আঞ্চলিক কার্যালয়, জেলা কার্যালয় বা উপজেলা কার্যালয় (খ) কর্তৃপক্ষের- প্রধান কার্যালয়, বিভাগীয় কার্যালয়, আঞ্চলিক কার্যালয়, জেলা কার্যালয় বা উপজেলা কার্যালয় তবে, কার্যকর অর্থে কোন প্রতিষ্ঠানে যখন কোন দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও আপীল কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়, তখন ওই প্রতিষ্ঠানে তথ্য ইউনিট স্থাপিত হয়েছে বলে ধরা হয়। [সূত্রঃ তথ্য অধিকার আইন ২০০৯, ধারা (২)]

সরকারি প্রতিষ্ঠান এবং সরকারি বা বিদেশি অনুদানে চলে এমন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কাছে নাগরিক তথ্য চাইতে পারবে। [সূত্রঃ তথ্য অধিকার আইন ২০০৯, ধারা (৪)]

কোনো ব্যক্তি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের কাছে ‘তৃতীয় পক্ষ’ হিসেবে তথ্য চাওয়া যাবে। এক্ষেত্রে ব্যক্তি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানটির নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থার কাছ থেকে তথ্য পাওয়া যাবে। যেমন, গ্রামীনফোনের সেবার গুণগত মান যাচাই সংক্রান্ত কোনো তথ্য বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশনস অথরিটির কাছ থেকে পাওয়া যাবে। [সূত্রঃ তথ্য অধিকার আইন সহজ পাঠ]

না। তথ্য অধিকার আইনের তফসিলে বর্ণিত ৮ টি প্রতিষ্ঠান, যেগুলি বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা কাজে জড়িত, সেগুলি এই আইনের আওতার বাইরে রয়েছে। যথাঃ (ক) জাতীয় নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই)। (খ) ডাইরেক্টর জেনারেল ফোর্সেস ইন্টেলিজেন্স (ডিজিএফআই)। (গ) প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা ইউনিট সমূহ। (ঘ) ক্রিমিনাল ইনভেস্টিগেশন ডিপার্টমেন্ট (সিআইডি), বাংলাদেশ পুলিশ। (ঙ) স্পেশ্যাল সিকিউরিটি ফোর্স (এসএসএফ)। (চ) জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের গোয়েন্দা সেল। (ছ) স্পেশ্যাল ব্রাঞ্চ, বাংলাদেশ পুলিশ। (জ) র‍্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব) এর গোয়েন্দা সেল। [সূত্রঃ তথ্য অধিকার আইন ২০০৯, ধারা (৩২)]

যেসব তথ্য ওইসব প্রতিষ্ঠানের দুর্নীতি বা মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনার সাথে জড়িত, সেগুলি সাধারণ নাগরিক জানতে পারবে। সেক্ষেত্রে ওইসব প্রতিষ্ঠানকে তথ্য কমিশনের অনুমোদন সাপেক্ষে ৩০ দিনের মধ্যে তথ্য দিতে হবে। [সূত্রঃ তথ্য অধিকার আইন ২০০৯, ধারা (৩২), উপ-ধারা (২) ও (৩)]

যদি প্ৰচলিত কোন আইনের সাথে তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯ এর কোন বিধান নিয়ে সংঘর্ষ হয়, তবে কোন আইন প্রাধান্য পাবে?

তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯ এর উদ্দেশ্য পূরণের জন্য সরকার, তথ্য কমিশনের সাথে পরামর্শ করে এবং সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, বিধি প্রণয়ন করতে পারবে। [সূত্রঃ তথ্য অধিকার আইন ২০০৯, ধারা (৩৩)]

তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯ এর উদ্দেশ্য পূরণের জন্য তথ্য কমিশন, সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে এবং সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, প্রবিধান প্রণয়ন প্রদান করতে পারবে। [সূত্রঃ তথ্য অধিকার আইন ২০০৯, ধারা (৩৪)]

কি ধরনের তথ্য দরকার, কিভাবে তথ্য পেতে চায়, তা উল্লেখ করে নিদির্ষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার বরাবর লিখিতভাবে বা অনলাইনে আবেদন করতে হবে। [সূত্রঃ তথ্য অধিকার আইন ২০০৯, ধারা (৮), উপ-ধারা (১)]

না। অনলাইন আবেদন, ফ্যাক্স এবং ইমেইল করেও তথ্য চাওয়া যাবে। [সূত্রঃ তথ্য অধিকার আইন ২০০৯, ধারা (৮), উপ-ধারা (১)]

না। যেসব তথ্য কর্তৃপক্ষ নিয়মিত প্রকাশ করে থাকে, সেগুলির জন্য আবেদন করতে হবে না। [সূত্রঃ তথ্য অধিকার আইন ২০০৯, ধারা (৮), উপ-ধারা (৬)]

যে তথ্য প্রকাশের ফলে বাংলাদেশের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ত্ব হুমকির মুখে পড়তে পারে এরকম তথ্যের জন্য আবেদন করা যাবে না। [সূত্রঃ তথ্য অধিকার আইন ২০০৯, ধারা (৭)]

দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে। [সূত্রঃ তথ্য অধিকার আইন ২০০৯, ধারা (৮)]

২০ কার্যদিবসের মধ্যে। [সূত্রঃ তথ্য অধিকার আইন ২০০৯, ধারা (৯), উপ-ধারা (১)]

৩০ কার্যদিবসের মধ্যে। [সূত্রঃ তথ্য অধিকার আইন ২০০৯, ধারা (৯), উপ-ধারা (২)]

২৪ ঘন্টার মধ্যে। [সূত্রঃ তথ্য অধিকার আইন ২০০৯, ধারা (৯), উপ-ধারা (৪)]

আবেদন প্রাপ্তির ১০ কার্য দিবসের মধ্যে তিনি আবেদনকারীকে তথ্য প্রদান করতে না পারার কারণ জানাবেন। [সূত্রঃ তথ্য অধিকার আইন ২০০৯, ধারা (৯), উপ-ধারা (৩)]

অনুরোধকৃত তথ্যের যতটুকু অংশ প্রকাশের জন্য বাধ্যতামূলক না সেটুকু বাদ দিয়ে বাকি তথ্য আবেদনকারীকে সরবরাহ করতে হবে। [সূত্রঃ তথ্য অধিকার আইন ২০০৯, ধারা (৯), উপ-ধারা (৯)]

তথ্যের জন্য টাকা দিতে হলে, সেটি দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবেদন জমা হওয়ার ৫ কার্যদিবসের মধ্যে জানিয়ে দিবেন। [সূত্রঃ তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯, ধারা (৯), উপ-ধারা (৬)]

দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নাগরিককে তথ্য নেয়ার জন্য কত টাকা লাগবে তা জানাবেন। এরপর নাগরিক ৫ কার্যদিবসের মধ্যে নির্ধারিত চালান কোডে (চালান কোড-১-৩৩০১-০০০১-১৮০৭) সেই টাকা জমা দিয়ে চালানোর কপি দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে জমা দিবেন। অথবা অনলাইনে আবেদনের বিস্তারিত পৃষ্ঠাটিতে ‘নাগরিকের জবাব’ অংশে চালানের কপিটি ফাইল হিসেবে সংযুক্ত করুন। [সূত্রঃ তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯ সহজ পাঠ]

দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আপীল করতে হবে। [সূত্রঃ তথ্য অধিকার আইন ২০০৯, ধারা (২৪), উপ-ধারা (১)]

যে প্রতিষ্ঠানের তথ্য চান, তার প্রশাসনিক প্রধান অথবা সেই প্রতিষ্ঠানের কোনো উর্ধ্বতন কার্যালয় থাকলে, সেই উর্ধ্বতন কার্যালয়ের প্রশাসনিক প্রধানের কাছে। [সূত্রঃ তথ্য অধিকার আইন ২০০৯, ধারা (২৪), উপ-ধারা (১)]

৩০ দিনের মধ্যে। [সূত্রঃ তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯ সহজ পাঠ]

১৫ দিনের মধ্যে। [সূত্রঃ তথ্য অধিকার আইন ২০০৯, ধারা (২৪), উপ-ধারা (৩)]

তথ্য কমিশনে অভিযোগ। [সূত্রঃ তথ্য অধিকার আইন ২০০৯, ধারা (২৫), উপ-ধারা (১)]

৩০ দিনের মধ্যে। [সূত্রঃ তথ্য অধিকার আইন ২০০৯, ধারা (২৪), উপ-ধারা (২)]

তথ্যটি কোন ব্যক্তির জীবন-মৃত্যু, গ্রেফতার এবং কারাগার হতে মুক্তি সম্পর্কিত হলে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবেদন জমা হওয়ার ২৪ ঘন্টার মধ্যে এ সংক্রান্ত প্রাথমিক তথ্য দিবেন। [সূত্রঃ তথ্য অধিকার আইন ২০০৯, ধারা (৯), উপ-ধারা (৪)]

বাংলাদেশের সাধারণ জনগণ অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন এবং এই সিস্টেমটি ব্যবহার করতে পারবেন।

না । সম্পূর্ণ বিনামূল্যে অনলাইন ট্র্যাকিং সিস্টেমটি ব্যবহার করা যাবে।

ইন্টারনেট বা কম্পিউটার ব্যবহারে পারদর্শী না হলে যে কারো সহায়তায় আবেদন করতে পারেন। এছাড়া নিকটস্থ ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার উদ্যোক্তার মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।

না, ঘরে বসে বা নিকটস্থ কম্পিউটার সেন্টারে বা ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারে গিয়ে ট্র্যাকিং আইডি এবং পাসকোড ব্যবহার করে আবেদনের সর্বশেষ অবস্থা সম্পর্কে জানতে পারবেন।

ট্র্যাকিং আইডি ও পাসকোড।

আবেদন ফর্ম পূরণ করে জমা দেয়া হলে, আপনার মোবাইলে এসএমএস এর মাধ্যমে ট্র্যাকিং আইডি ও পাসকোড পাবেন।

না। কোনো আবেদনের ট্র্যাকিং আইডি ও পাসকোড পরিবর্তন করা যায় না।

আবেদনের তারিখ, বিষয়, বিস্তারিত, উত্তর পাওয়ার সময়সীমা, আবেদনটি কোন পর্যায়ে আছে ইত্যাদি।

অনলাইন ট্র্যাকিং সিস্টেমে করা আবেদনটির পরিপ্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা প্রযোজ্য তথ্যমূল্য জানিয়ে দিবেন।

আপনি যে কোন সরকারি ব্যাংকে গিয়ে নির্ধারিত কোডে তথ্যমূল্য পরিশোধ করে আবার অনলাইনে মানি রিসিট স্ক্যান করে কর্মকর্তার কাছে পাঠিয়ে দিতে পারবেন।

আপনি একাধিক ফাইল এটাচ করতে পারবেন, তবে ফাইলগুলোর সাইজ ১০ মেগাবাইটের মধ্যে থাকতে হবে।

অবশ্যই আপনি যেকোন ধরনের ইমেজ এটাচ করতে পারবেন।

দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবেদনের জবাব দেয়ার সাথে সাথেই আপনি আপনার মোবাইলে এসএমএস পেয়ে যাবেন।

না, টাকা কেটে নেয়া হবে না।

দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা যেকোন তালিকা স্ক্যান করে সেটা অনলাইন ট্র্যাকিং সিস্টেমের মাধ্যমে যে প্রদান করতে পারবেন। সেক্ষেত্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তথ্যমূল্য (স্ক্যান করার খরচ সহ) আবেদনকারীকে জানিয়ে দিবেন।

নাগরিক অনলাইনে আবেদন করার সাথে সাথেই দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তার মোবাইলে এই বিষয়ে একটি এসএমএস পাবেন।

দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নাগরিকের আবেদনের জবাব দেয়ার সাথে সাথে নাগরিক তার মোবাইলে একটি এসএমএস পাবেন।

হ্যাঁ, ব্যবহার করতে পারবেন। দৃষ্টি প্রতিবন্ধী ব্যক্তি অনলাইন ট্র্যাকিং সিস্টেমটি ব্যবহার করে নিজেই তথ্যের জন্য আবেদন করতে পারবেন। এছাড়া সাপোর্ট সহকারির সহায়তা নিতে পারবেন।

তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯ এর উদ্দেশ্য পূরণের লক্ষ্যে এবং এর বিধান অনুসারে যেই কমিশন গঠিত হয় সেটাই তথ্য কমিশন। [সূত্রঃ তথ্য অধিকার আইন ২০০৯, ধারা (১১), উপ-ধারা (১)]

তথ্য কমিশনের প্রধান কার্যালয় ঢাকায় এবং কমিশন প্রয়োজনে বাংলাদেশের যে কোনো স্থানে এর শাখা কার্যালয় স্থাপন করতে পারবে। [সূত্রঃ তথ্য অধিকার আইন ২০০৯, ধারা (১১), উপ-ধারা (৩)]

প্রধান তথ্য কমিশনার। [সূত্রঃ তথ্য অধিকার আইন ২০০৯, ধারা (১২), উপ-ধারা (২)]

কোন ব্যক্তি অভিযোগ দায়ের করলে তথ্য কমিশন তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯ এর বিধানবলীর সাপেক্ষে, সেই অভিযোগ গ্রহণ, এর অনুসন্ধান এবং নিষ্পত্তি করা। তথ্য সংরক্ষণ, ব্যবস্থাপনা, প্রকাশ, প্রচার ও প্রাপ্তির বিষয়ে নির্দেশনা প্রদান করা, তথ্য প্রাপ্তির লক্ষ্যে অনুরোধের পদ্ধতি নির্ধারণ, তথ্যের উপযুক্ত মূল্য নির্ধারণ করা, নাগরিকের তথ্য অধিকার সংরক্ষণ ও বাস্তবায়নের বিষয়ে নীতিমালা এবং নির্দেশনা প্রণয়ন ও প্রকাশ করা ইত্যাদি। [সূত্রঃ তথ্য অধিকার আইন ২০০৯, ধারা (১৩), উপ-ধারা (১)]

প্রধান তথ্য কমিশনার ও তথ্য কমিশনার নিয়োগের জন্য সুপারিশ প্রদানের উদ্দেশ্যে পাঁচ জন সদস্য সমন্বয়ে যে কমিটি গঠন করা হয়, তা বাছাই কমিটি। [সূত্রঃ তথ্য অধিকার আইন ২০০৯, ধারা (১৪), উপ-ধারা (১)]

পাঁচ জন সদস্য। [সূত্রঃ তথ্য অধিকার আইন ২০০৯, ধারা (১৪), উপ-ধারা (১)]

রাষ্ট্রপতি। [সূত্রঃ তথ্য অধিকার আইন ২০০৯, ধারা (১৫), উপ-ধারা (১)]

৬৭ বছর। [সূত্রঃ তথ্য অধিকার আইন ২০০৯, ধারা (১৫), উপ-ধারা (২)]

সরকার। [সূত্রঃ তথ্য অধিকার আইন ২০০৯, ধারা (১৭)]

প্রধান তথ্য কমিশনার ও তথ্য কমিশনারদের এবং সচিব ও অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন, ভাতা ও চাকুরীর শর্তাবলী অনুসারে অর্থ প্রদান করা এবং তথ্য কমিশনের অন্যান্য ব্যয় নির্বাহ করা। [সূত্রঃ তথ্য অধিকার আইন ২০০৯, ধারা (১৯), উপ-ধারা (৩)]

তথ্য কমিশন। [সূত্রঃ তথ্য অধিকার আইন ২০০৯, ধারা (১৯), উপ-ধারা (২)]

সরকার কর্তৃক প্রদত্ত বাৎসরিক অনুদান এবং সরকারের সম্মতিক্রমে কোন প্রতিষ্ঠান কর্তৃক প্রদত্ত অনুদান। [সূত্রঃ তথ্য অধিকার আইন ২০০৯, ধারা (১৯), উপ-ধারা (৪)]

একজন সচিব থাকবেন। [সূত্রঃ তথ্য অধিকার আইন ২০০৯, ধারা (২৩), উপ-ধারা (১)]

সাধারণভাবে ৪৫ দিনের মধ্যে এবং সর্বোচ্চ ৭৫ দিন লাগতে পারে। [সূত্রঃ তথ্য অধিকার আইন ২০০৯, ধারা (২৫), উপ-ধারা (১০)]

তৃতীয়পক্ষ জড়িত থাকলে, আপীল করলে অথবা অভিযোগ করলে সর্বোচ্চ ২১০ দিন লাগতে পারে। [সূত্রঃ তথ্য অধিকার - তথ্য অধিকার কর্মীর হ্যান্ডবুক]

কোন যুক্তিসংগত কারণ ছাড়াই তথ্য প্রাপ্তির কোনো অনুরোধ গ্রহণ করতে অস্বীকার করলে, আইন দ্বারা নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে অনুরোধকারীকে তথ্য প্রদান করতে বা এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত প্রদান করতে ব্যর্থ হলে, অসৎ উদ্দেশ্যে তথ্য প্রাপ্তির কোন আবেদন প্রত্যাখান করলে, ভুল, অসম্পূর্ণ, বিভ্রান্তিকর বা বিকৃত তথ্য প্রদান করলে, তথ্য প্রাপ্তির পথে কোন প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করলে। [সূত্রঃ তথ্য অধিকার আইন ২০০৯, ধারা (২৭), উপ-ধারা (১)]

তথ্য কমিশন দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার উপরের উল্লিখিত কাজের তারিখ হতে তথ্য সরবরাহের তারিখ পর্যন্ত প্রতি দিনের জন্য ৫০ টাকা হারে জরিমানা আরোপ করতে পারবে, যা ৫,০০০ টাকার বেশি না। [সূত্রঃ তথ্য অধিকার আইন ২০০৯, ধারা (২৭), উপ-ধারা (১)]

কমিশন কর্তৃক নির্ধারিত জরিমানা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বেতন হতে বা Public Demands Recovery Act, 1913 (Act IX of 1913) এর বিধান অনুযায়ী বকেয়া ভূমি রাজস্ব যে পদ্ধতিতে আদায় করা হয় সেই পদ্ধতিতে আদায় করা হবে। [সূত্রঃ তথ্য অধিকার আইন ২০০৯, ধারা (২৭), উপ-ধারা (৪)]

This site has been visited

  • 0
  • 5
  • 7
  • 0
  • 8
  • 3